April 9, 2026, 1:39 am

সংবাদ শিরোনাম
রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

বরিশাল মেডিকেলে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ

বরিশাল মেডিকেলে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ

mostbet

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে রোগীর স্বজনরা হামলা ও ভাঙচুর করেছে। এ সময় হাসপাতালের ইর্ন্টানরা রোগীর স্বজনদের মারধর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল রোববার দুপুরে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পরলে থানা পুলিশ ও হাসপাতাল প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করেন। জানা গেছে, নগরীর কাউনিয়া এলাকার জালাল জমাদ্দের পুত্র কবির জমাদ্দার (৪৫) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ নভেম্বর শেবাচিম হাসপাতালের চতুর্থ তলার মেডিসিন-৪ ইউনিটে ভর্তি হন। তার অবস্থার অবনতি হলে গতকাল রোববার বেলা পৌনে ১১টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর স্বজনরা চিকিৎসকদের দায়িত্বে অবহেলার কারণে কবির জমাদ্দারের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তুললে চিকিৎসক-নার্স ও স্টাফদের সাথে মৃতের স্বজনদের বাগ্বিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে মৃতের স্বজনরা সেবিকা ও চিকিৎসকদের দরজা-জানালা ভাংচুর করে। এ সময় হাসপাতালের কর্মরতরা ওয়ার্ডের প্রবেশদ্বার আটকে দেয়। পাশাপাশি মৃতের পুত্র পাবেলসহ দুই স্বজনকে আটকে মারধর করা হয়। পরে থানা পুলিশ ও হাসপাতালের প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করেন। ওয়ার্ডের দায়িত্বরত সেবিকারা জানান, মারা যাওয়ার পরেও পরিস্থতি স্বাভাবিক ছিলো। কিন্তু মৃতদেহ নেয়ার সময় ১৫/২০জন স্বজন এসে পরিস্থিতি অস্বাভাবিক করে ওয়ার্ডে সাধারণ রোগীদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পরে সবাই মিলে এর প্রতিবাদ করলে মৃতের স্বজনরা চিকিৎসকদের লাঞ্ছিত করে। এ সময় দুইজনকে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। তবে মৃতের পুত্র পাবেল জানান, তাকে আটকে চিকিৎসক ও ওয়ার্ডের অন্য স্টাফরা মিলে ব্যাপক মারধর করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে তিনি কথা বলতে চাইলেও কেউ তার কথা শোনেনি। অপর এক স্বজন জানান, কবির জমাদ্দারকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর থেকে চিকিৎসকেরা দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা করে আসছিলো। যেকারণে সঠিক চিকিৎসা না পেয়ে তাদের স্বজন কবির জমাদ্দার মারা গেছে। হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডাঃ আবদুল কাদের জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখছেন, পরবর্তীতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর